১. কম বেতন
অনেক প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় প্রতিনিধিদের দায়িত্ব ও পরিশ্রমের তুলনায় বেতন অনেক কম। বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় এই বেতন অনেক সময় যথেষ্ট নয়।
২. অতিরিক্ত টার্গেটের চাপ
অনেক কোম্পানি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে অতিরিক্ত বিক্রয় লক্ষ্য (Target) নির্ধারণ করে। ফলে কর্মীরা মানসিক চাপের মধ্যে কাজ করতে বাধ্য হন।
৩. চাকরির নিরাপত্তার অভাব
অনেক প্রতিষ্ঠানে সামান্য কারণে বা পূর্ব নোটিশ ছাড়াই কর্মীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এতে কর্মীদের মধ্যে সবসময় অনিশ্চয়তা কাজ করে।
৪. পর্যাপ্ত ভাতা না থাকা
যাতায়াত, মোবাইল, খাবার বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচের জন্য অনেক সময় পর্যাপ্ত ভাতা দেওয়া হয় না। ফলে কর্মীদের ব্যক্তিগত খরচ বেড়ে যায়।
৫. দীর্ঘ কর্মঘণ্টা
অনেক বিক্রয় প্রতিনিধিকে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় কাজ করতে হয়। এতে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি বৃদ্ধি পায়।
৬. নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি
ফিল্ডে কাজ করার সময় দুর্ঘটনা, ছিনতাই, হয়রানি বা অন্যান্য ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হয়। অনেক প্রতিষ্ঠানে এসব বিষয়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে না।
৭. ছুটি ও অন্যান্য সুবিধার সীমাবদ্ধতা
অনেক কর্মী নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি, উৎসব ছুটি বা অন্যান্য সুবিধা যথাযথভাবে পান না, যা কর্মজীবনের ভারসাম্য নষ্ট করে।
৮. প্রশিক্ষণের অভাব
অনেক প্রতিষ্ঠানে নতুন ও পুরোনো বিক্রয় প্রতিনিধিদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকে না। ফলে তারা নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।
৯. সম্মান ও মূল্যায়নের অভাব
অনেক সময় বিক্রয় প্রতিনিধিদের কঠোর পরিশ্রম ও সফলতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। এতে তাদের কর্মস্পৃহা কমে যায়।
১০. অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞতা
অনেক বিক্রয় প্রতিনিধি নিজের চাকরি, বেতন, ছুটি, কর্মপরিবেশ বা অন্যান্য অধিকার সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখেন না। ফলে অনেক সময় তারা নিজের প্রাপ্য সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হন।
বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট আপনার পাশে আছে
বিক্রয় প্রতিনিধিদের এসব সমস্যা নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং তাদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলাই বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট-এর অন্যতম লক্ষ্য।
